অ্যাপেক্স

দেশের সবচেয়ে বড় জুতা প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক কোম্পানি অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারে চাকরির জন্য আবেদন করতে আর ইংরেজিতে দক্ষতার দরকার হবে না।

কারণ, ভাষার চেয়ে পর্যাপ্ত যোগাযোগ দক্ষতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কোম্পানিটি।

আজ শনিবার অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বাংলাদেশে দক্ষতার ব্যবধান এবং যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক এক আলোচনায় বলেন, ‘আজ থেকে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারে চাকরির জন্য ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রয়োজন নেই।’

ফ্রেডরিক-ইবার্ট-স্টিফটুং (এফইএস) এর সহযোগিতায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ব্র্যাক ইনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

যোগাযোগ দক্ষতার মতো ইংরেজির দক্ষতা প্রধান কোনো বিষয় কি না—তা নিয়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যে নাসিম তাৎক্ষণিকভাবে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ‘উৎপাদনশীলতা এবং যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত দক্ষতার প্রয়োজন বেশি। কারণ দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে।’

মঞ্জুরের এই ঘোষণাকে উপস্থিত অনেক চাকরিপ্রার্থী স্বাগত জানান। এই চাকরিপ্রার্থীরা অভিযোগ করছিলেন, বেসরকারি খাতে চাকরির জন্য ইংরেজিতে দক্ষতার শর্ত তৈরি হওয়ায় তারা নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন।  

ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের বেশি বেতন দিলেও তারা ফ্যাক্টরিতে মধ্য-স্তরের পদের চেয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে উচ্চ-পদের চাকরি পেতে পছন্দ করে উল্লেখ করে অ্যাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘অ্যাপেক্সের খরচে ৫০ জন শিক্ষার্থী স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। এরপর কোম্পানি তাদের স্টোর ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। কিন্তু ৫০ জনের মধ্যে ২৫ জন শিক্ষার্থীই স্টোর ম্যানেজার হিসাবে যোগদান করতে রাজি হননি। কারণ তারা ভাবছিলেন, এটি তাদের যোগ্যতার চেয়ে নিচে।’

বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর অনুষ্ঠানে মঞ্জুরের মতো একই ধরনের কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

অ্যাপেক্স