শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণসহ ৮ দাবি শিক্ষকদের

শিক্ষাকে বিশ্বায়ন উপযোগী ও টেকসই ভিত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের জন্য আসন্ন বাজেটে শিক্ষাখাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-

১. মুজিববর্ষের মধ্যেই শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া।

২. অ্যাফিলিয়েশনপ্রাপ্ত সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি (স্বতন্ত্র এবতেদায়ী, অনার্স/মাস্টার্সসহ) প্রতিষ্ঠানকে অতিদ্রুত এমপিওভুক্ত করতে হবে।

৩. শিক্ষা প্রশাসন এবং বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মাউশিসহ বিভিন্ন অধিদপ্তর, শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধীদের অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।

৪. আসন্ন ঈদের আগেই পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমপরিমাণ বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা দিতে হবে।

৫. করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা কিংবা বিশেষ বৃত্তি বা অনুদানের ব্যবস্থা করা।

৫. সব শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ডিজিটাল ডিভাইস, খাতা-কলমসহ অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী দেওয়া এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে সব শিক্ষার্থীদের দুপুরে সরকারি উদ্যোগে খাবার সরবরাহ করা।

৬. শূন্য পদের বিপরীতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা কার্যকর করা।

৭. অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দুর্দশা লাঘবে শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর বোর্ডের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করা।

৮. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। ব্যবস্থাপনা কমিটিতে শিক্ষাবান্ধব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত এবং স্কুল পর্যায়ে নূন্যতম ডিগ্রি পাস ও কলেজ পর্যায়ে নূন্যতম মাস্টার্স পাস স্বচ্ছ ইমেজসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু।